শ্রী হনুমান বাহুক বাংলায় অর্থ সহ | Hanuman Bahuk Bengali Lyrics & PDF

বাংলায় সম্পূর্ণ শ্রী হনুমান বাহুক পাঠ করুন এবং এর সম্পূর্ণ ৪৪টি পদের বাংলা অর্থ, ইতিহাস, নিয়ম ও সুফল জানুন।

শ্রী হনুমান বাহুক বাংলায় | Hanuman Bahuk in Bengali

চৌপাঈ
সিন্ধু তরন, সীয়-সোচ হরন, হনুমান মহাশোচ সমন, অতি প্রবল বাহু বল বাল দেব ।
বোধি-বোধ-বিগ্রহ, অনুগ্রহ-বিগ্রহ বিগ্রহ বহু রূপ-ধারি, কানন-অগ্নি বাল দেব ॥
রাবন-মহাগর্ব-খর্ব-কারী, সুর-বৃন্দ-বন্দিত-পদ-দ্বয়, শরণাগত-পাল দেব ।
পবনকুমার, কেসরীনন্দন, দিন দিন জয় অতিবল দয়াল দেব ॥১॥ (1)
কনকাচল-শরীর, কোটি-রবি-ছবি-শরীর, তীব্র-প্রতাপ-তপন-ছবি-প্রবাল দেব ।
বজ্র-অঙ্গ, বজ্র-নখ, বজ্র-রদ, বজ্র-দংষ্ট্র, ভয়ানক-রূপ, ভক্ত-প্রতিপাল দেব ॥
পাপ-তাপ-তিমির-বিনাশন, পাপী-দনুজ-দলন, ভক্ত-মনোভাব-পূরক কাল দেব ।
পবনকুমার, কেসরীনন্দন, দিন দিন জয় অতিবল দয়াল দেব ॥২॥ (2)
ঝূলানা
পাঁচিহুঁ আনন অরি-দল-দবন, পঞ্চমুখ রূপধারী, অটপটী বাণী বাল দেব ।
গর্বিত-দানব-দর্প-হরণ, রামচন্দ্র-দূত, ভক্ত-মনোভাব-পূরক কাল দেব ॥
পবনকুমার, কেসরীনন্দন, দিন দিন জয় অতিবল দয়াল দেব ॥৩॥ (3)
ঘনাক্ষরী
পাছিলে পগনি গম গগন মগন মন, ক্রম কো ন ভ্রম কপি বালক বিহার সো ॥
কৌতুক বিলোকি লোকপাল হরিহর বিধি, লোচননি চকাচৌংধী চিত্তনি খবার সো ।
বল কৈংধো বীর রস ধীরজ কৈ, সাহস কৈ, তুলসী শরীর ধরে সবনি সার সো ॥৪॥ (4)
ভারত মেং পার্থ কে রথ কেথূ কপিরাজ, গাজ্যো সুনি কুরুরাজ দল হল বল ভো ।
কহ্যো দ্রোন ভীষম সমীর সুত মহাবীর, বীর-রস-বারি-নিধি জাকো বল জল ভো ॥
বানর সুভাষ বাল কেলি ভূমি ভানু লাগি, ফলংগ ফলাংগ হূতেং ঘাটি নভ তল ভো ।
নাঈ-নাঈ-মাথ জোরি-জোরি হাথ যোদ্ধা জো হৈং, হনুমান দেখে জগজীবন কো ফল ভো ॥৫॥ (5)
গো-পদ পয়োধি করি, হোলিকা জ্যোং লাঈ লংক, নিপট নিঃসংক পর পুর গল বল ভো ।
দ্রোন সো পহার লিয়ো খেয়াল হী উখারি কর, কন্দুক জ্যোং কপি খেলা বেল কৈসো ফল ভো ॥
সংকট সমাজ অসমঞ্জস ভো রাম রাজ, কাজ জুগ পূগনি কো করতল পল ভো ।
সাহসী সমত্থ তুলসী কো নাঈ জা কী বাঁহ, লোক পাল পালন কো ফির থির থল ভো ॥৬॥ (6)
কমঠ কী পীঠি জাকে গোডনি কী গাডৈং মানো, নাপ কে ভাজন ভরি জল নিধি জল ভো ।
জাতুধান দাবন পরাবন কো দুর্গ ভয়ো, মহা মীন বাস তিমি তোমনি কো থল ভো ॥
কুংভকরন রাবন পয়োদ নাদ ইধন কো, তুলসী প্রতাপ জাকো প্রবল অনল ভো ।
ভীষ্ম কহত মেরে অনুমান হনুমান, সারিখো ত্রিকাল ন ত্রিলোক মহাবল ভো ॥৭॥ (7)
দূত রাম রায় কো সপূত পূত পৌনকো তূ, অংজনী কো নন্দন প্রতাপ ভূরি ভানু সো ।
সীয়-সোচ-সমন, দুরিত দোষ দমন, শরণ আযে অবন লখন প্রিয় প্রাণ সো ॥
দসমুখ দুসহ দরিদ্র দরিবে কো ভয়ো, প্রকট তিলোক ওক তুলসী নিধান সো ।
জ্ঞান গুনবান বলবান সেবা সাবধান, সাহেব সুজান উর আনু হনুমান সো ॥৮॥ (8)
দবন দুবন দল ভুবন বিদিত বল, বেদ জস গাবত বিদুধ বন্দী ছোর কো ।
পাপ তাপ তিমির তুহিন নিঘাটন পটু, সেবক সরোরুহ সুখদ ভানু ভোর কো ॥
লোক পরলোক তেং বিসোক সপনে ন সোক, তুলসী কে হিয়ে হৈ ভরোসো এক ওর কো ।
রাম কো দুলারো দাস বামদেব কো নিবাস। নাম কলি কামতরু কেসরী কিসোর কো ॥৯॥ (9)
মহাবল সীমা মহা ভীম মহাবান ইত, মহাবীর বিদিত বরাযো রঘুবীর কো ।
কুলিস কঠোর তনু জোর পরৈ রোর রন, করুণা কলিত মন ধারমিক ধীর কো ॥
দুরজন কো কালসো করাল পাল সজ্জ ন কো, সুমিরে হরন হার তুলসী কী পীর কো ।
সীয়-সুখ-দায়ক দুলারো রঘুনায়ক কো, সেবক সহায়ক হৈ সাহসী সমীর কো ॥১০॥ (10)
রচিবে কো বিধি জৈসে, পালিবে কো হরি হর, মীচ মারিবে কো, জ্যাঈবে কো সুধাপান ভো ।
ধরিবে কো ধরনি, তরনি তম দলিবে কো, সোখিবে কৃসানু পোষিবে কো হিম ভানু ভো ॥
খল দুঃখ দোষিবে কো, জন পরিতোষিবে কো, মাংগিবো মলীনতা কো মোদক দুদান ভো ।
আরত কী আরতি নিবারিবে কো তিহুঁ পুর, তুলসী কো সাহেব হঠীলো হনুমান ভো ॥১১॥ (11)
সেবক স্যোকাঈ জানি জানকীস মানৈ কানি, সানুকূল সূলপানি নবৈ নাথ আঁক কো ।
দেবী দেব দানব দয়াবনে হ্বৈ জোরৈং হাথ, বাপুরে বরাক কহা ঔর রাজা রাংক কো ॥
জাগত সোবত বৈঠে বাগত বিনোদ মোদ, তাকে জো অনর্থ সো সমর্থ এক আঁক কো ।
সব দিন রুরো পরৈ পূরো জহাঁ তহাঁ তাহি, জাকে হৈ ভরোসো হিয়ে হনুমান হাঁক কো ॥১২॥ (12)
সানুগ সগৌরী সানুকূল সূলপানি তাহি, লোকপাল সকল লখন রাম জানকী ।
লোক পরলোক কো বিসোক সো তিলোক তাহি, তুলসী তমাই কহা কাহূ বীর আনকী ॥
কেসরী কিসোর বন্দীছোর কে নে বাজে সব, কীরতি বিমল কপি করুণানিধান কী ।
বালক জ্যোং পালি হৈং কৃপালু মুনি সিদ্ধতা কো, জাকে হিয়ে হুলসতি হাঁক হনুমান কী ॥১৩॥ (13)
করুণানিধান বলবুদ্ধি কে নিধান হৌ, মহিমা নিধান গুনজ্ঞান কে নিধান হৌ ।
বাম দেব রূপ ভূপ রাম কে সনেহী, নাম, লেত দেত অর্থ ধর্ম কাম নিরবান হৌ ॥
আপনে প্রভাব সীতারাম কে সুভাব সীল, লোক বেদ বিধি কে বিদূষ হনুমান হৌ ।
মন কী বচন কী করম কী তিহুঁ প্রকার, তুলসী তিহারো তুম সাহেব সুজান হৌ ॥১৪॥ (14)
মন কো অগম তন সুগম কিয়ে কপীস, কাজ মহারাজ কে সমাজ সাজ সাজে হৈম ।
দেববন্দী ছোর রনরোর কেসরী কিসোর, জুগ জুগ জগ তেরে বিরদ বিরাজৈ হৈম ।
বীর বরজোর ঘটি জোর তুলসী কী ওর, সুনি সকুছানে সাধু খল গন গাজৈ হৈম ।
বিগরী সঁবার অংজনী কুমার কীজৈ মোহিং, জৈসে হোত আযে হনুমান কে নিবাজৈ হৈম ॥১৫॥ (15)
সবৈয়া
জান শিরোমনি হো হনুমান সদা জন কে মন বাস তিহারো ।
ঢারো বিগোরো মৈং কাকো কহা কেহি কারণ খীঝত হৌং তো তিহারো ॥
সাহেব সেবক নাতৈ তো হাতো কিযো সো তহাঁ তুলসী কো ন চারো ।
দোষ সুনাযে তৈং আগেহূং কো হোশিয়ার হ্বৈং হোং মন তো হিয় হারো ॥১৬॥ (16)
তেরে থপৈ উথপৈ ন মহেশ, থপৈ থির কো কপি যে উর ঘালে ।
তেরে নিবাজৈ গরীব নিবাজ বিরাজত বৈরিন কে উর সালে ॥
সংকট সোচ সবৈ তুলসী লিযে নাম ফটৈ মকরী কে সে জালে ।
বূঢ ভয়ো বলি মেরিহিং বার, কি হারি পরে বহুতৈ নাত পালে ॥১৭॥ (17)
সিন্ধু তরে বডে বীর দলে খল, জারে হৈং লংক সে বংক মবাসে ।
তৈং রনি কেহরি কেহরি কে বিদলে অরি কুংজর ছৈল ছবাসে ॥
তোসো সমত্থ সুসাহেব সেঈ সহৈ তুলসী দুখ দোষ দবা সে ।
বানরবাজ ! বঢে খল খেচর, লীজত ক্যোং ন লপেটি লবাসে ॥১৮॥ (18)
অচ্ছ বিমর্দন কানন ভানি দসানন আনন ভা ন নিহারো ।
বারিদনাদ অকংপন কুংজর কেহরি বারো ॥
রাম প্রতাপ হুতাসন, কচ্ছ, বিপচ্ছ, সমীর সমীর দুলারো ।
পাপ তে সাপ তে তাপ তিহূঁ তেং সদা তুলসী কহ সো রখবারো ॥১৯॥ (19)
ঘনাক্ষরী
জানত জহান হনুমান কো নিবাজ্যো জন, মন অনুমানি বলি বোল ন বিসারিয়ে ।
সেবা জোগ তুলসী কবহুঁ কহা চূক পরী, সাহেব সুভাব কপি সাহিবি সংভারিয়ে ॥
অপরাধী জানি কীজৈ সাসতি সহস ভাঁতি, মোদক মরৈ জো তাহি মাহুর ন মারিয়ে ।
সাহসী সমীর কে দুলারে রঘুবীর জূ কে, বাঁহ পীর মহাবীর বেগি হী নিবারিয়ে ॥২০॥ (20)
বালক বিলোকি, বলি বারেং তেং আপনৌ কিয়ো, দীনবন্ধু দয়া কীহ্নীং নিরুপাধি ন্যারিয়ে ।
রাবরো ভরোসো তুলসী কে, রাবরোঈ বল, আসা রাবরীযৈ দাস রাবরো বিচারিয়ে ॥
বডো বিকরাল কলি কাকো ন বিহাল কিয়ো, মাথে পগু বলি কো নিহারি সো নিবারিয়ে ।
কেসরী কিসোর রনরোর বরজোর বীর, বাঁহ পীর রাহু মাতু জ্যোং পছারি মারিয়ে ॥২১॥ (21)
উথপে থপনাথির থপে উথপনহার, কেসরী কুমার বল আপনৌ সংবারিয়ে ।
রাম কে গুলামনি কো কাম তরু রামদূত, মোসে দীন দূবরে কো তকিয়া তিহারিয়ে ॥
সাহেব সমর্থ তো সোং তুলসী কে মাথে পর, সোঊ অপরাধ বিনু বীর, বাঁধি মারিয়ে ।
পোখরী বিশাল বাঁহু, বলি, বারিচর পীর, মকরী জ্যোং পকরি কে বদন বিদারিয়ে ॥২২॥ (22)
রাম কো সনেহ, রাম সাহস লখন সীয়, রাম কী ভগবতি, সোচ সংকট নিবারিয়ে ।
মুদ মরকট রোগ বারিনিধি হেরি হারে, জীব জামবন্ত কো ভরোসো তেরো ভারিয়ে ॥
কূদিয়ে কৃপাল তুলসী সুপ্রেম পব্বয়তেং, সুথল সুবেল ভালূ বৈঠি কৈ বিচারিয়ে ।
মহাবীর বাঁকুরে বরাকী বাঁহ পীর ক্যোং ন, লংকিনী জ্যোং লাত ঘাত হী মরোরি মারিয়ে ॥২৩॥ (23)
লোক পরলোকহুঁ তিলোক ন বিলোকিয়ত, তোসে সমরথ চষ চারিহূঁ নিহারিয়ে ।
কর্ম, কাল, লোকপাল, অগ জগ জীবজাল, নাথ হাথ সব নিজ মহিমা বিচায়িয়ে ॥
খাস দাস রাবরো, নিবাস তেরো তাসু উর, তুলসী সো, দেব দুঃখী দেখিয়ত ভারিয়ে ।
বাত তরুমূল বাঁহূমূল কপিকচ্ছূ বেলী, উপজী সকেলি কপি কেলি হী উখারিয়ে ॥২৪॥ (24)
করম করাল কংস ভূমিপাল কে ভরোসে, বকী বক ভগিনী কাহূ তেং কহা ডরৈগী ।
বডী বিকরাল বাল ঘাতিনী ন জাত কহি, বাঁহূ বল বালক ছবীলে ছোটে ছরৈগী ॥
আঈ হৈ বনাঈ বেষ আপ হী বিচারি দেখ, পাপ জায় সব কো গুনী কে পালে পরৈগী ।
পূতনা পিসাচিনী জ্যোং কপি কান্হ তুলসী কী, বাঁহ পীর মহাবীর তেরে মারে মরৈগী ॥২৫॥ (25)
ভাল কী কি কাল কী কি রোষ কী ত্রিদোষ কী হৈ, বেদন বিষম পাপ তাপ ছল ছাঁহ কী ।
করমন কূট কী কি যন্ত্র মন্ত্র বূট কী, পরাহি জাহি পাপিনী মলীন মন মাঁহ কী ॥
পৈহহি সজায়, নত কহত বজায় তোহি, বাবরি ন হোহি বানি জানি কপি নাহ কী ।
আন হনুমান কী দোহাঈ বলবান কী, শপথ মহাবীর কী জো রহৈ পীর বাঁহ কী ॥২৬॥ (26)
সিংহিকা সংহারি বল সুরসা সুধারি ছল, লংকিনী পছারি মারি বাটিকা উজারী হৈ ।
লংকা পরজারী মকরী বিদারি বার বার, জাতুধান ধারী ধূরি ধানী করি ডারী হৈ ॥
তোরি জমকাতরি মন্দোদরী কঠোরী আনী, রাবন কী রানী মেঘনাদ মহতারী হৈ ।
ভীর বাঁহ পীর কী নিপট রাখী মহাবীর, কৌন কে সকোচ তুলসী কে সোচ ভারী হৈ ॥২৭॥ (27)
তেরো বালি কেলি বীর সুনি সহমত ধীর, ভুলত শরীর সুধি সত্র রবি রাহু কী ।
তেরী বাঁহ বসত বিসোক লোক পাল সব, তেরো নাম লেত রহৈং আরতি ন কাহূ কী ॥
সাম দাম ভেদ বিধি বে দহূ লবেদ সিধি, হাথ কপিনাথ হী কে চোটী চোর সাহু কী ।
ালস অনখ পরিহাস কৈ শিখাবন হৈ, এতে দিন রহী পীর তুলসী কে বাহু কী ॥২৮॥ (28)
টূকনি কো ঘর ঘর ডোলত কঙ্গাল বোলি, বাল জ্যোং কৃপাল নত পাল পালি পোসো হৈ ।
কীহ্নী হৈ সংভার সার অংজনী কুমার বীর, আপনৌ বিসারি হৈং ন মেরেহূ ভরোসো হৈ ॥
ইতনো পরেষো সব ভাঁতি সমরথ আজু, কপিরাজ সাঁচী কহৌং কো তিলোক তোসো হৈ ।
সাসতি সহত দাস কীজৈ পেখি পরিহাস, চীরী কো মরন খেল বাল কনি কোসো হৈ ॥২৯॥ (29)
আপনে হী পাপ তেং ত্রিপাত তেং কি সাপ তেং, বঢী হৈ বাঁহ বেদন কহী ন সহী জাতি হৈ ।
ঔষধ অনেক যন্ত্র মন্ত্র তোটকাদি কিযে, বাদি ভযে দেবতা মনাযে অধীকাতি হৈ ॥
করতারা, ভর তারা, হর তারা, করম কাল, কো হৈ জগজাল জো ন মানত ইতাতি হৈ ।
চেরো তেরো তুলসী তূ মেরো কহ্যো রাম দূত, ঢীল তেরী বীর মোহি পীর তেং পিরাতি হৈ ॥৩০॥ (30)
দূত রাম রায় কো, সপূত পূত বায় কো, সমত্ব হাথ পায় কো সহায় অসহায় কো ।
বাঁকী বিরদাবলী বিদিত বেদ গাঈযত, রাবন সো ভট ভয়ো মুঠিকা কে ধায় কো ॥
এতে বডে সাহেব সমরথ কো নিবাজো আজ, সীদত সুসেবক বচন মন কায় কো ।
থোরী বাঁহ পীর কী বডী গলানি তুলসী কো, কৌন পাপ কোপ, লোপ প্রকট প্রভাব কো ॥৩১॥ (31)
দেবী দেব দনুজ মনুজ মুনি সিদ্ধ নাগ, ছোটে বডে জীব জেতে চেতন অচেত হৈম ।
পূতনা পিসাচী জাতুধানী জাতুধান বাগ, রাম দূত কী রজাই মাথে মানি লেত হৈম ॥
ঘোর যন্ত্র মন্ত্র কূট কপট কুরোগ যোগ, হনুমান আন সুনি ছাড়ত নিকেত হৈম ।
ক্রোধ কীজৈ করম কো প্রবোধ কীজৈ তুলসী কো, সোধ কীজৈ তিনকো জো দোষ দুঃখ দেত হৈম ॥৩২॥ (32)
তেরে বল বানর জিতায়ে রন রাবন সোং, তেরে ঘালে জাতুধান ভযে ঘর ঘর কে ।
তেরে বল রাম রাজ কিযে সব সুর কাজ, সকল সমাজ সাজ সাজে রঘুবর কে ॥
তেরো গুনগান সুনি গীরবান পুলকত, সজল বিলোচন বিরঞ্চি হরিহর কে ।
তুলসী কে মাথে পর হাথ ফেরো কীস নাথ, দেখিয়ে ন দাস দুঃখী তোসো কনিগর কে ॥৩৩॥ (33)
পালো তেরে টূক কো পরেহূ চূক মূকিয়ে ন, কূরা কৌডী দূকো হৌং আপনী ওর হেরিযে ।
ভোরা নাথ ভোরে হী সরোষ হোত থোরে দোষ, পোষি তোষি থাপি আপনৌ ন অব ডেরিযে ॥
অংবু তূ হৌং অংবু চূর, অংবু তূ হৌং ডিম্ভ সো ন, বূঝিয়ে বিলম্ব অবলম্ব মেরে তেরিযে ।
বালক বিকল জানি পাহি প্রেম পরিচানি, তুলসী কী বাঁহ পরলামী লূম ফেরিয়ে ॥৩৪॥ (34)
ঘেরি লিয়ো রোগনি, কুরোগনি, কুলোগনি জ্যোং, বাসরা জলদ ঘন ঘটায় ধুকি ধাঈ হৈ ।
বরসত বারি পীর জারিয়ে জবাসে জস, রোষ বিনু দোষ ধূম মূল মলিনাঈ হৈ ॥
করুণানিধান হনুমান মহা বলবান, হেরি হাসি হাঁকি ফূংকি ফৌজৈ তে উডায়ী হৈ ।
খায়ে হুতো তুলসী কুরোগ রাঢ রা কসনি, কেসরী কিসোর রাখে বীর বরিয়ায়ী হৈ ॥৩৫॥ (35)
সবৈয়া
রাম গুলাম তু হী হনুমান গোসাঁঈ সুসাঁঈ সদা অনুকূলো ।
পাল্যো হৌং বাল জ্যোং আখর দূ পিতু মাতু সোং মংগল মোদ সমূলো ॥
বাঁহ কী বেদন বাঁহ পগার পুকারত আরত আনঁদ ভূলো ।
শ্রী রঘুবীর নিবারিয়ে পীর রহৌং দরবার পরো লটি লূলো ॥৩৬॥ (36)
ঘনাক্ষরী
কাল কী করালতা করম কঠিনাঈ কীধৌ, পাপ কে প্রভাব কী সুভায় বায় বাবরে ।
বেদন কুভাঁতি সো সহী ন জাতি রাতি দিন, সোঈ বাঁহ গহী জো গহী সমীর ডাবরে ॥
লায়ো তরু তুলসী তিহারো সো নিহারি বারি, সীংচিয়ে মলীন ভো তয়ো হৈ তিহুঁ তাবরে ।
ভূতনি কী আপনী পরায়ে কী কৃপা নিধান, জানিযত সবহী কী রীতি রাম রাবরে ॥৩৭॥ (37)
পাঁয় পীর পেট পীর বাঁহ পীর মুংহ পীর, জর জর সকল পীর মী হৈ ।
দেব ভূত পিতর করম খল কাল গ্রহ, মোহি পর দবরি দমানক সী দী হৈ ॥
হৌং তো বিনু মোল কে বিকানো বলি বারে হীতেং, ওট রাম নাম কী ললাট লিখি লী হৈ ।
কুঁভজ কে কিংকর বিকল বূঢে গোখুরনি, হায় রাম রায় ঐসী হাল কহূঁ ভী হৈ ॥৩৮॥ (38)
বাহুক সুবাহু নীচ লীচর মরীচ মিলি, মুঁহ পীর কেতুজা কুরোগ জাতুধান হৈ ।
রাম নাম জপ জাগ কিয়ো চহোং সানুরাগ, কাল কৈসে দূত ভূত কহা মেরে মান হৈ ॥
সুমিরে সহায় রাম লখন আখর দঊউ, জিনকে সমূহ সাকে জাগত জহান হৈ ।
তুলসী সঁভারি তাডকা সঁহারি ভারি ভট, বেধে বরগদ সে বনাঈ বানবান হৈ ॥৩৯॥ (39)
বালপনে সূধে মন রাম সনমুখ ভয়ো, রাম নাম লেত মাঁগি খাত টূক টাক হৌং ।
পরয়ো লোক রীতি মেং পুনীত প্রীতি রাম রায়, মোহ বস বৈঠো তোরি তরকি তরাক হৌং ॥
খোটে খোটে আচরন আচরত অপনায়ো, অংজনী কুমার সোধ্যো রামপানি পাক হৌং ।
তুলসী গুসাঁঈ ভয়ো ভোংডে দিন ভূল গয়ো, তাকো ফল পাবত নিদান পরিপাক হৌং ॥৪০॥ (40)
অসন বসন হীন বিষম বিষাদ লীন, দেখি দীন দূবরো করৈ ন হায় হায় কো ।
তুলসী অনাথ সো সনাথ রঘুনাথ কিয়ো, দিয়ো ফল সীল সিংধু আপনে সুভায় কো ॥
নীচ যহি বীচ পতি পাই ভরু হাঈগো, বিহাই প্রভু ভজন বচন মন কায় কো ।
তা তেং তনু পেষিযত ঘোর বরতোর মিস, ফূটি ফূটি নিকসত লোন রাম রায় কো ॥৪১॥ (41)
জীও জগ জানকী জীবন কো কহাই জন, মরিবে কো বারানসী বারি সুর সরি কো ।
তুলসী কে দোহূঁ হাথ মোদক হৈং ঐসে ঠাঁঊ, জাকে জিয়ে মুয়ে সোচ করিহৈং ন লরি কো ॥
মো কো ঝূঁটো সাঁচো লোগ রাম কৌ কহত সব, মেরে মন মান হৈ ন হর কো ন হরি কো ।
ভারী পীর দুসহ সরীর তেং বিহাল হোত, সোঊ রঘুবীর বিনু সকৈ দূর করি কো ॥৪২॥ (42)
সীতাপতি সাহেব সহায় হনুমান নিত, হিত উপদেশ কো মহেস মানো গুরু কৈ ।
মানস বচন কায় সরন তিহারে পাঁয়, তুম্হরে ভরোসে সুর মৈং ন জানে সুর কৈ ॥
ব্যাধি ভূত জনিত উপাধি কাহু খল কী, সমাধি কী জৈ তুলসী কো জানি জন ফুর কৈ ।
কপিনাথ রঘুনাথ ভোলানাথ ভূতনাথ, রোগ সিংধু ক্যোং ন ডারিযত গায় খুর কৈ ॥৪৩॥ (43)
কহোং হনুমান সোং সুজান রাম রায় সোং, কৃপানিধান সংকর সোং সাবধান সুনিয়ে ।
হরষ বিষাদ রাগ রোষ গুন দোষ মী, বিরচী বিরংচী সব দেখিযত দুনিয়ে ॥
মায়া জীব কাল কে করম কে সুভায় কে, করৈয়া রাম বেদ কহেং সাঁচী মন গুনিয়ে ।
তুম্হ তেং কহা ন হোয় হা হা সো বুঝৈয়ে মোহিং, হৌং হূঁ রহোং মৌনহী বয়ো সো জানি লুনিয়ে ॥৪৪॥ (44)
সীয়াবর রামচন্দ্র কী জয় । পবনসুত হনুমান কী জয় । বোলো ভাই সব সনাতন কী জয় । 🙏
Text Size

শ্রী হনুমান বাহুক বাংলায় Audio / Video (Listen & Watch)

শ্রী হনুমান বাহুক এর বাংলা অর্থ | Hanuman Bahuk Meaning in Bengali

# পদ (শ্লোক) বাংলা অর্থ (Meaning)
চৌপাঈ
1 সিন্ধু তরন, সীয়-সোচ হরন, হনুমান মহাশোচ সমন, অতি প্রবল বাহু বল বাল দেব ।
বোধি-বোধ-বিগ্রহ, অনুগ্রহ-বিগ্রহ বিগ্রহ বহু রূপ-ধারি, কানন-অগ্নি বাল দেব ॥
রাবন-মহাগর্ব-খর্ব-কারী, সুর-বৃন্দ-বন্দিত-পদ-দ্বয়, শরণাগত-পাল দেব ।
পবনকুমার, কেসরীনন্দন, দিন দিন জয় অতিবল দয়াল দেব ॥১॥ (1)
সমুদ্র লঙ্ঘনকারী, সীতা দেবীর দুঃখহরণকারী এবং সমস্ত কষ্ট দূরকারী মহাবলশালী শিশু হনুমানজিকে প্রণাম করি। যিনি বিভিন্ন রূপ ধারণ করতে সক্ষম এবং রাবণের চরম অহংকার চূর্ণ করেছিলেন, সেই পবনকুমার কেসরীনন্দনের জয় হোক।
2 কনকাচল-শরীর, কোটি-রবি-ছবি-শরীর, তীব্র-প্রতাপ-তপন-ছবি-প্রবাল দেব ।
বজ্র-অঙ্গ, বজ্র-নখ, বজ্র-রদ, বজ্র-দংষ্ট্র, ভয়ানক-রূপ, ভক্ত-প্রতিপাল দেব ॥
পাপ-তাপ-তিমির-বিনাশন, পাপী-দনুজ-দলন, ভক্ত-মনোভাব-পূরক কাল দেব ।
পবনকুমার, কেসরীনন্দন, দিন দিন জয় অতিবল দয়াল দেব ॥২॥ (2)
স্বর্ণ পর্বতের মতো যার উজ্জ্বল শরীর, কোটি সূর্যের তেজধারী এবং বজ্রের মতো কঠোর অঙ্গবিশিষ্ট হনুমানজি ভক্তদের সমস্ত পাপ-তাপ দূর করেন। পবনকুমার কেসরীনন্দনের জয় হোক।
ঝূলানা
3 পাঁচিহুঁ আনন অরি-দল-দবন, পঞ্চমুখ রূপধারী, অটপটী বাণী বাল দেব ।
গর্বিত-দানব-দর্প-হরণ, রামচন্দ্র-দূত, ভক্ত-মনোভাব-পূরক কাল দেব ॥
পবনকুমার, কেসরীনন্দন, দিন দিন জয় অতিবল দয়াল দেব ॥৩॥ (3)
পাঁচ মুখ ধারণকারী এবং শত্রুদল বিনাশকারী হে রামদূত! আপনি ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন। পবনকুমার কেসরীনন্দনের নিত্য জয় হোক।
ঘনাক্ষরী
4 পাছিলে পগনি গম গগন মগন মন, ক্রম কো ন ভ্রম কপি বালক বিহার সো ॥
কৌতুক বিলোকি লোকপাল হরিহর বিধি, লোচননি চকাচৌংধী চিত্তনি খবার সো ।
বল কৈংধো বীর রস ধীরজ কৈ, সাহস কৈ, তুলসী শরীর ধরে সবনি সার সো ॥৪॥ (4)
শিশু অবস্থায় হনুমানজিকে আকাশে লাফিয়ে সূর্যকে ফল মনে করে ধরতে দেখে লোকপাল, ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব বিষ্মিত হয়েছিলেন। হনুমানজি সাহসের সাক্ষাৎ প্রতীক।
5 ভারত মেং পার্থ কে রথ কেথূ কপিরাজ, গাজ্যো সুনি কুরুরাজ দল হল বল ভো ।
কহ্যো দ্রোন ভীষম সমীর সুত মহাবীর, বীর-রস-বারি-নিধি জাকো বল জল ভো ॥
বানর সুভাষ বাল কেলি ভূমি ভানু লাগি, ফলংগ ফলাংগ হূতেং ঘাটি নভ তল ভো ।
নাঈ-নাঈ-মাথ জোরি-জোরি হাথ যোদ্ধা জো হৈং, হনুমান দেখে জগজীবন কো ফল ভো ॥৫॥ (5)
মহাভারতের যুদ্ধে অর্জুনের রথের পতাকায় বিরাজিত হনুমানজির গর্জন শুনে কৌরব সেনা কাঁপ উঠেছিল। দ্রোণাচার্য ও ভীষ্ম তাঁর অপরিসীম বলের প্রশংসা করেছিলেন।
6 গো-পদ পয়োধি করি, হোলিকা জ্যোং লাঈ লংক, নিপট নিঃসংক পর পুর গল বল ভো ।
দ্রোন সো পহার লিয়ো খেয়াল হী উখারি কর, কন্দুক জ্যোং কপি খেলা বেল কৈসো ফল ভো ॥
সংকট সমাজ অসমঞ্জস ভো রাম রাজ, কাজ জুগ পূগনি কো করতল পল ভো ।
সাহসী সমত্থ তুলসী কো নাঈ জা কী বাঁহ, লোক পাল পালন কো ফির থির থল ভো ॥৬॥ (6)
যিনি গরুর খুরের চিহ্নের মতো সহজে সমুদ্র পার হয়েছিলেন এবং লঙ্কাদহন করেছিলেন, সেই সংকটমোচন হনুমানজি তুলসীদাসের একমাত্র আশ্রয়।
7 কমঠ কী পীঠি জাকে গোডনি কী গাডৈং মানো, নাপ কে ভাজন ভরি জল নিধি জল ভো ।
জাতুধান দাবন পরাবন কো দুর্গ ভয়ো, মহা মীন বাস তিমি তোমনি কো থল ভো ॥
কুংভকরন রাবন পয়োদ নাদ ইধন কো, তুলসী প্রতাপ জাকো প্রবল অনল ভো ।
ভীষ্ম কহত মেরে অনুমান হনুমান, সারিখো ত্রিকাল ন ত্রিলোক মহাবল ভো ॥৭॥ (7)
সমুদ্রকে যিনি ছোট পাত্রের মতো মেপে নিয়েছিলেন এবং কুম্ভকর্ণ-রাবণের সৈন্যদল ধ্বংস করেছিলেন, ভীষ্ম পিতামহ বলেছেন যে তাঁর মতো মহাবলী ত্রিভুবনে কেউ নেই।
8 দূত রাম রায় কো সপূত পূত পৌনকো তূ, অংজনী কো নন্দন প্রতাপ ভূরি ভানু সো ।
সীয়-সোচ-সমন, দুরিত দোষ দমন, শরণ আযে অবন লখন প্রিয় প্রাণ সো ॥
দসমুখ দুসহ দরিদ্র দরিবে কো ভয়ো, প্রকট তিলোক ওক তুলসী নিধান সো ।
জ্ঞান গুনবান বলবান সেবা সাবধান, সাহেব সুজান উর আনু হনুমান সো ॥৮॥ (8)
হে রামদূত, পবনপুত্র, অঞ্জনীনন্দন! আপনি সীতাজির দুঃখ দূর করেছিলেন এবং লক্ষ্মণজির প্রাণ রক্ষা করেছিলেন। তুলসীদাসের দারিদ্র্য ও শারীরিক কষ্ট দূর করুন।
9 দবন দুবন দল ভুবন বিদিত বল, বেদ জস গাবত বিদুধ বন্দী ছোর কো ।
পাপ তাপ তিমির তুহিন নিঘাটন পটু, সেবক সরোরুহ সুখদ ভানু ভোর কো ॥
লোক পরলোক তেং বিসোক সপনে ন সোক, তুলসী কে হিয়ে হৈ ভরোসো এক ওর কো ।
রাম কো দুলারো দাস বামদেব কো নিবাস। নাম কলি কামতরু কেসরী কিসোর কো ॥৯॥ (9)
দানবদল বিনাশকারী এবং দেবতাদের বন্দিদশা থেকে মুক্তকারী হনুমানজি সকালের সূর্যের মতো ভক্তদের সমস্ত পাপ-তাপ দূর করেন। কলিযুগে আপনার নামই কল্পতরু।
10 মহাবল সীমা মহা ভীম মহাবান ইত, মহাবীর বিদিত বরাযো রঘুবীর কো ।
কুলিস কঠোর তনু জোর পরৈ রোর রন, করুণা কলিত মন ধারমিক ধীর কো ॥
দুরজন কো কালসো করাল পাল সজ্জ ন কো, সুমিরে হরন হার তুলসী কী পীর কো ।
সীয়-সুখ-দায়ক দুলারো রঘুনায়ক কো, সেবক সহায়ক হৈ সাহসী সমীর কো ॥১০॥ (10)
ভীমসেনের চেয়েও পরাক্রমশালী এবং রামচন্দ্রের প্রিয় দূত! বজ্রের মতো কঠোর দেহধারী কিন্তু পরম দয়ালু হনুমানজি তুলসীদাসের শারীরিক কষ্ট দূর করুন।
11 রচিবে কো বিধি জৈসে, পালিবে কো হরি হর, মীচ মারিবে কো, জ্যাঈবে কো সুধাপান ভো ।
ধরিবে কো ধরনি, তরনি তম দলিবে কো, সোখিবে কৃসানু পোষিবে কো হিম ভানু ভো ॥
খল দুঃখ দোষিবে কো, জন পরিতোষিবে কো, মাংগিবো মলীনতা কো মোদক দুদান ভো ।
আরত কী আরতি নিবারিবে কো তিহুঁ পুর, তুলসী কো সাহেব হঠীলো হনুমান ভো ॥১১॥ (11)
সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা, পালনকর্তা বিষ্ণু ও সংহারকর্তা শিবের মতো শক্তিমান হনুমানজি সর্বপ্রকার রোগ ও সংকট দূর করে ভক্তদের রক্ষা করেন।
12 সেবক স্যোকাঈ জানি জানকীস মানৈ কানি, সানুকূল সূলপানি নবৈ নাথ আঁক কো ।
দেবী দেব দানব দয়াবনে হ্বৈ জোরৈং হাথ, বাপুরে বরাক কহা ঔর রাজা রাংক কো ॥
জাগত সোবত বৈঠে বাগত বিনোদ মোদ, তাকে জো অনর্থ সো সমর্থ এক আঁক কো ।
সব দিন রুরো পরৈ পূরো জহাঁ তহাঁ তাহি, জাকে হৈ ভরোসো হিয়ে হনুমান হাঁক কো ॥১২॥ (12)
জানকীনাথ রামের প্রিয় সেবক হনুমানজিকে দেবতা ও দানব সকলেই প্রণাম করে। হনুমানজির ওপর বিশ্বাস রাখা ভক্ত কখনো বিপদে পড়ে না।
13 সানুগ সগৌরী সানুকূল সূলপানি তাহি, লোকপাল সকল লখন রাম জানকী ।
লোক পরলোক কো বিসোক সো তিলোক তাহি, তুলসী তমাই কহা কাহূ বীর আনকী ॥
কেসরী কিসোর বন্দীছোর কে নে বাজে সব, কীরতি বিমল কপি করুণানিধান কী ।
বালক জ্যোং পালি হৈং কৃপালু মুনি সিদ্ধতা কো, জাকে হিয়ে হুলসতি হাঁক হনুমান কী ॥১৩॥ (13)
শিব-পার্বতী ও সীতারাম হনুমানজির ওপর সদা প্রসন্ন। তাঁর কৃপায় ভক্ত সর্বপ্রকার সিদ্ধি অর্জন করে।
14 করুণানিধান বলবুদ্ধি কে নিধান হৌ, মহিমা নিধান গুনজ্ঞান কে নিধান হৌ ।
বাম দেব রূপ ভূপ রাম কে সনেহী, নাম, লেত দেত অর্থ ধর্ম কাম নিরবান হৌ ॥
আপনে প্রভাব সীতারাম কে সুভাব সীল, লোক বেদ বিধি কে বিদূষ হনুমান হৌ ।
মন কী বচন কী করম কী তিহুঁ প্রকার, তুলসী তিহারো তুম সাহেব সুজান হৌ ॥১৪॥ (14)
কৃপানিধান, বল ও বুদ্ধির আধার হনুমানজি! মন, বাক্য ও কর্মে তুলসীদাস আপনার সেবক, আপনি আমাকে রক্ষা করুন।
15 মন কো অগম তন সুগম কিয়ে কপীস, কাজ মহারাজ কে সমাজ সাজ সাজে হৈম ।
দেববন্দী ছোর রনরোর কেসরী কিসোর, জুগ জুগ জগ তেরে বিরদ বিরাজৈ হৈম ।
বীর বরজোর ঘটি জোর তুলসী কী ওর, সুনি সকুছানে সাধু খল গন গাজৈ হৈম ।
বিগরী সঁবার অংজনী কুমার কীজৈ মোহিং, জৈসে হোত আযে হনুমান কে নিবাজৈ হৈম ॥১৫॥ (15)
অসাধ্য সাধনকারী হে কপীশ্বর! যেমন আপনি দেবতাদের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেছিলেন, তেমনি তুলসীদাসের এই তীব্র শারীরিক ব্যাধি দূর করুন।
সবৈয়া
16 জান শিরোমনি হো হনুমান সদা জন কে মন বাস তিহারো ।
ঢারো বিগোরো মৈং কাকো কহা কেহি কারণ খীঝত হৌং তো তিহারো ॥
সাহেব সেবক নাতৈ তো হাতো কিযো সো তহাঁ তুলসী কো ন চারো ।
দোষ সুনাযে তৈং আগেহূং কো হোশিয়ার হ্বৈং হোং মন তো হিয় হারো ॥১৬॥ (16)
জ্ঞান শিরোমণি হনুমানজি! ভক্তদের হৃদয়ে আপনি নিত্য বিরাজ করেন। আমার অপরাধ ক্ষমা করে শারীরিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিন।
17 তেরে থপৈ উথপৈ ন মহেশ, থপৈ থির কো কপি যে উর ঘালে ।
তেরে নিবাজৈ গরীব নিবাজ বিরাজত বৈরিন কে উর সালে ॥
সংকট সোচ সবৈ তুলসী লিযে নাম ফটৈ মকরী কে সে জালে ।
বূঢ ভয়ো বলি মেরিহিং বার, কি হারি পরে বহুতৈ নাত পালে ॥১৭॥ (17)
যেকোনো কঠিন সংকট হনুমানজির নাম স্মরণে মাকড়সার জালের মতো ছিঁড়ে যায়। হে দীনবন্ধু, আমার এই তীব্র ব্যাধি দূর করুন।
18 সিন্ধু তরে বডে বীর দলে খল, জারে হৈং লংক সে বংক মবাসে ।
তৈং রনি কেহরি কেহরি কে বিদলে অরি কুংজর ছৈল ছবাসে ॥
তোসো সমত্থ সুসাহেব সেঈ সহৈ তুলসী দুখ দোষ দবা সে ।
বানরবাজ ! বঢে খল খেচর, লীজত ক্যোং ন লপেটি লবাসে ॥১৮॥ (18)
সমুদ্র পার হয়ে লঙ্কা ভস্মকারী হে মহাবীর! সিংহের মতো শত্রুদল বিনাশকারী হনুমানজি থাকতে তুলসীদাসের দুঃখ কেন থাকবে?
19 অচ্ছ বিমর্দন কানন ভানি দসানন আনন ভা ন নিহারো ।
বারিদনাদ অকংপন কুংজর কেহরি বারো ॥
রাম প্রতাপ হুতাসন, কচ্ছ, বিপচ্ছ, সমীর সমীর দুলারো ।
পাপ তে সাপ তে তাপ তিহূঁ তেং সদা তুলসী কহ সো রখবারো ॥১৯॥ (19)
অক্ষয়কুমারকে বিনাশকারী ও রাবণের দর্পচূর্ণকারী পবনপুত্র হনুমানজি তুলসীদাসকে সমস্ত পাপ, অভিশাপ ও শারীরিক যন্ত্রণা থেকে রক্ষা করুন।
ঘনাক্ষরী
20 জানত জহান হনুমান কো নিবাজ্যো জন, মন অনুমানি বলি বোল ন বিসারিয়ে ।
সেবা জোগ তুলসী কবহুঁ কহা চূক পরী, সাহেব সুভাব কপি সাহিবি সংভারিয়ে ॥
অপরাধী জানি কীজৈ সাসতি সহস ভাঁতি, মোদক মরৈ জো তাহি মাহুর ন মারিয়ে ।
সাহসী সমীর কে দুলারে রঘুবীর জূ কে, বাঁহ পীর মহাবীর বেগি হী নিবারিয়ে ॥২০॥ (20)
হে বিশ্বখ্যাত হনুমানজি! আপনার সেবক তুলসীদাসের ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁর বাহুর তীব্র যন্ত্রণা অবিলম্বে দূর করুন।
21 বালক বিলোকি, বলি বারেং তেং আপনৌ কিয়ো, দীনবন্ধু দয়া কীহ্নীং নিরুপাধি ন্যারিয়ে ।
রাবরো ভরোসো তুলসী কে, রাবরোঈ বল, আসা রাবরীযৈ দাস রাবরো বিচারিয়ে ॥
বডো বিকরাল কলি কাকো ন বিহাল কিয়ো, মাথে পগু বলি কো নিহারি সো নিবারিয়ে ।
কেসরী কিসোর রনরোর বরজোর বীর, বাঁহ পীর রাহু মাতু জ্যোং পছারি মারিয়ে ॥২১॥ (21)
বাল্যকাল থেকে আমাকে সেবক রূপে গ্রহণ করেছেন। হে দীনবন্ধু, কলিযুগের ঘোর যন্ত্রণা ও বাহুর কষ্ট থেকে তুলসীদাসকে উদ্ধার করুন।
22 উথপে থপনাথির থপে উথপনহার, কেসরী কুমার বল আপনৌ সংবারিয়ে ।
রাম কে গুলামনি কো কাম তরু রামদূত, মোসে দীন দূবরে কো তকিয়া তিহারিয়ে ॥
সাহেব সমর্থ তো সোং তুলসী কে মাথে পর, সোঊ অপরাধ বিনু বীর, বাঁধি মারিয়ে ।
পোখরী বিশাল বাঁহু, বলি, বারিচর পীর, মকরী জ্যোং পকরি কে বদন বিদারিয়ে ॥২২॥ (22)
প্রভু রামের সেবকদের কাজ পূরণকারী হে রামদূত! তুলসীদাসের বাহুর এই তীব্র যন্ত্রণা পদ্মকালের মতো উপড়ে ফেলুন।
23 রাম কো সনেহ, রাম সাহস লখন সীয়, রাম কী ভগবতি, সোচ সংকট নিবারিয়ে ।
মুদ মরকট রোগ বারিনিধি হেরি হারে, জীব জামবন্ত কো ভরোসো তেরো ভারিয়ে ॥
কূদিয়ে কৃপাল তুলসী সুপ্রেম পব্বয়তেং, সুথল সুবেল ভালূ বৈঠি কৈ বিচারিয়ে ।
মহাবীর বাঁকুরে বরাকী বাঁহ পীর ক্যোং ন, লংকিনী জ্যোং লাত ঘাত হী মরোরি মারিয়ে ॥২৩॥ (23)
রামপ্রেম ও সীতাকৃপায় ধন্য হনুমানজি! আমার এই তীব্র ব্যাধি ও শারীরিক কষ্ট লঙ্কিনীর মতো দূর করে দিন।
24 লোক পরলোকহুঁ তিলোক ন বিলোকিয়ত, তোসে সমরথ চষ চারিহূঁ নিহারিয়ে ।
কর্ম, কাল, লোকপাল, অগ জগ জীবজাল, নাথ হাথ সব নিজ মহিমা বিচায়িয়ে ॥
খাস দাস রাবরো, নিবাস তেরো তাসু উর, তুলসী সো, দেব দুঃখী দেখিয়ত ভারিয়ে ।
বাত তরুমূল বাঁহূমূল কপিকচ্ছূ বেলী, উপজী সকেলি কপি কেলি হী উখারিয়ে ॥২৪॥ (24)
ত্রিভুবনে আপনার মতো সমর্থ আর কেউ নেই। কর্ম, কাল ও লোকপাল আপনার অধীন। তুলসীদাসের বাহুর যন্ত্রণা মূলসহ উপড়ে ফেলুন।
25 করম করাল কংস ভূমিপাল কে ভরোসে, বকী বক ভগিনী কাহূ তেং কহা ডরৈগী ।
বডী বিকরাল বাল ঘাতিনী ন জাত কহি, বাঁহূ বল বালক ছবীলে ছোটে ছরৈগী ॥
আঈ হৈ বনাঈ বেষ আপ হী বিচারি দেখ, পাপ জায় সব কো গুনী কে পালে পরৈগী ।
পূতনা পিসাচিনী জ্যোং কপি কান্হ তুলসী কী, বাঁহ পীর মহাবীর তেরে মারে মরৈগী ॥২৫॥ (25)
কংসের আদেশে পুতনার মতো আক্রমণকারী এই রোগব্যাধিকে হে হনুমানজি, কৃষ্ণ যেমন পুতনাকে বধ করেছিলেন তেমনি বিনাশ করুন।
26 ভাল কী কি কাল কী কি রোষ কী ত্রিদোষ কী হৈ, বেদন বিষম পাপ তাপ ছল ছাঁহ কী ।
করমন কূট কী কি যন্ত্র মন্ত্র বূট কী, পরাহি জাহি পাপিনী মলীন মন মাঁহ কী ॥
পৈহহি সজায়, নত কহত বজায় তোহি, বাবরি ন হোহি বানি জানি কপি নাহ কী ।
আন হনুমান কী দোহাঈ বলবান কী, শপথ মহাবীর কী জো রহৈ পীর বাঁহ কী ॥২৬॥ (26)
ভাগ্য, কাল বা কূচক্রের প্রভাবেই হোক না কেন, মহাবীর হনুমানজির দোহাই, আমার বাহুর এই তীব্র যন্ত্রণা এখনই দূর হোক।
27 সিংহিকা সংহারি বল সুরসা সুধারি ছল, লংকিনী পছারি মারি বাটিকা উজারী হৈ ।
লংকা পরজারী মকরী বিদারি বার বার, জাতুধান ধারী ধূরি ধানী করি ডারী হৈ ॥
তোরি জমকাতরি মন্দোদরী কঠোরী আনী, রাবন কী রানী মেঘনাদ মহতারী হৈ ।
ভীর বাঁহ পীর কী নিপট রাখী মহাবীর, কৌন কে সকোচ তুলসী কে সোচ ভারী হৈ ॥২৭॥ (27)
সিংহিকা ও সুরসাকে পরাস্ত করে লঙ্কাদহনকারী মহাবীর হনুমানজি তুলসীদাসের এই অসহনীয় বাহুর ব্যাধি দূর করুন।
28 তেরো বালি কেলি বীর সুনি সহমত ধীর, ভুলত শরীর সুধি সত্র রবি রাহু কী ।
তেরী বাঁহ বসত বিসোক লোক পাল সব, তেরো নাম লেত রহৈং আরতি ন কাহূ কী ॥
সাম দাম ভেদ বিধি বে দহূ লবেদ সিধি, হাথ কপিনাথ হী কে চোটী চোর সাহু কী ।
ালস অনখ পরিহাস কৈ শিখাবন হৈ, এতে দিন রহী পীর তুলসী কে বাহু কী ॥২৮॥ (28)
যাঁর ভয়ে ইন্দ্র ও সূর্য তটস্থ থাকেন, সেই পবনপুত্রের আশ্রয়ে সকল লোকপাল শান্তিতে আছেন। তবে তুলসীদাসের বাহুর কষ্ট দূর করতে বিলম্ব কেন?
29 টূকনি কো ঘর ঘর ডোলত কঙ্গাল বোলি, বাল জ্যোং কৃপাল নত পাল পালি পোসো হৈ ।
কীহ্নী হৈ সংভার সার অংজনী কুমার বীর, আপনৌ বিসারি হৈং ন মেরেহূ ভরোসো হৈ ॥
ইতনো পরেষো সব ভাঁতি সমরথ আজু, কপিরাজ সাঁচী কহৌং কো তিলোক তোসো হৈ ।
সাসতি সহত দাস কীজৈ পেখি পরিহাস, চীরী কো মরন খেল বাল কনি কোসো হৈ ॥২৯॥ (29)
ভিক্ষা করে খাওয়া দীন তুলসীদাসকে আপনিই লালনপালন করেছেন। হে অঞ্জনীকুমার, আমাকে ভুলে যাবেন না; আমার শারীরিক ব্যাধি দূর করুন।
30 আপনে হী পাপ তেং ত্রিপাত তেং কি সাপ তেং, বঢী হৈ বাঁহ বেদন কহী ন সহী জাতি হৈ ।
ঔষধ অনেক যন্ত্র মন্ত্র তোটকাদি কিযে, বাদি ভযে দেবতা মনাযে অধীকাতি হৈ ॥
করতারা, ভর তারা, হর তারা, করম কাল, কো হৈ জগজাল জো ন মানত ইতাতি হৈ ।
চেরো তেরো তুলসী তূ মেরো কহ্যো রাম দূত, ঢীল তেরী বীর মোহি পীর তেং পিরাতি হৈ ॥৩০॥ (30)
পাপ, অভিশাপ বা প্রারব্ধ কর্মের ফলেই হোক, বাহুর এই যন্ত্রণা অসহ্য হয়ে উঠেছে। হে রামদূত, কৃপা করে আমাকে এই কষ্ট থেকে রক্ষা করুন।
31 দূত রাম রায় কো, সপূত পূত বায় কো, সমত্ব হাথ পায় কো সহায় অসহায় কো ।
বাঁকী বিরদাবলী বিদিত বেদ গাঈযত, রাবন সো ভট ভয়ো মুঠিকা কে ধায় কো ॥
এতে বডে সাহেব সমরথ কো নিবাজো আজ, সীদত সুসেবক বচন মন কায় কো ।
থোরী বাঁহ পীর কী বডী গলানি তুলসী কো, কৌন পাপ কোপ, লোপ প্রকট প্রভাব কো ॥৩১॥ (31)
প্রভু রামের দূত, পবনপুত্র হনুমানজি! যাঁর এক ঘুষিতে রাবণ মূর্ছিত হয়েছিল, সেই সমর্থ প্রভু তুলসীদাসের কষ্ট দূর করুন।
32 দেবী দেব দনুজ মনুজ মুনি সিদ্ধ নাগ, ছোটে বডে জীব জেতে চেতন অচেত হৈম ।
পূতনা পিসাচী জাতুধানী জাতুধান বাগ, রাম দূত কী রজাই মাথে মানি লেত হৈম ॥
ঘোর যন্ত্র মন্ত্র কূট কপট কুরোগ যোগ, হনুমান আন সুনি ছাড়ত নিকেত হৈম ।
ক্রোধ কীজৈ করম কো প্রবোধ কীজৈ তুলসী কো, সোধ কীজৈ তিনকো জো দোষ দুঃখ দেত হৈম ॥৩২॥ (32)
দেবী, দেব, দানব, মানব ও নাগ সকলেই রামদূত হনুমানজির আজ্ঞা পালন করে। হনুমানজির নাম শুনেই সকল ভূত-প্রেত ও ব্যাধি পালিয়ে যায়।
33 তেরে বল বানর জিতায়ে রন রাবন সোং, তেরে ঘালে জাতুধান ভযে ঘর ঘর কে ।
তেরে বল রাম রাজ কিযে সব সুর কাজ, সকল সমাজ সাজ সাজে রঘুবর কে ॥
তেরো গুনগান সুনি গীরবান পুলকত, সজল বিলোচন বিরঞ্চি হরিহর কে ।
তুলসী কে মাথে পর হাথ ফেরো কীস নাথ, দেখিয়ে ন দাস দুঃখী তোসো কনিগর কে ॥৩৩॥ (33)
আপনার বলে সুগ্রীব রাজ্য পেলেন এবং রামরাজ্য প্রতিষ্ঠিত হলো। হে কপীশ্বর, তুলসীদাসের মাথায় অভয় হস্ত রাখুন।
34 পালো তেরে টূক কো পরেহূ চূক মূকিয়ে ন, কূরা কৌডী দূকো হৌং আপনী ওর হেরিযে ।
ভোরা নাথ ভোরে হী সরোষ হোত থোরে দোষ, পোষি তোষি থাপি আপনৌ ন অব ডেরিযে ॥
অংবু তূ হৌং অংবু চূর, অংবু তূ হৌং ডিম্ভ সো ন, বূঝিয়ে বিলম্ব অবলম্ব মেরে তেরিযে ।
বালক বিকল জানি পাহি প্রেম পরিচানি, তুলসী কী বাঁহ পরলামী লূম ফেরিয়ে ॥৩৪॥ (34)
আপনার কৃপায় লালিত সেবকের ছোটখাটো ভুল ক্ষমা করুন। মাতা যেমন সন্তানের কষ্ট দূর করেন, তেমনি আপনার লেজ বুলিয়ে তুলসীদাসের বাহুর যন্ত্রণা হরণ করুন।
35 ঘেরি লিয়ো রোগনি, কুরোগনি, কুলোগনি জ্যোং, বাসরা জলদ ঘন ঘটায় ধুকি ধাঈ হৈ ।
বরসত বারি পীর জারিয়ে জবাসে জস, রোষ বিনু দোষ ধূম মূল মলিনাঈ হৈ ॥
করুণানিধান হনুমান মহা বলবান, হেরি হাসি হাঁকি ফূংকি ফৌজৈ তে উডায়ী হৈ ।
খায়ে হুতো তুলসী কুরোগ রাঢ রা কসনি, কেসরী কিসোর রাখে বীর বরিয়ায়ী হৈ ॥৩৫॥ (35)
রোগ ও ব্যাধি মেঘের মতো আমাকে ঘিরে ধরেছে। হে করুণানিধান হনুমানজি, আপনার গর্জনে এই ব্যাধিসেনাকে উড়িয়ে দিন।
সবৈয়া
36 রাম গুলাম তু হী হনুমান গোসাঁঈ সুসাঁঈ সদা অনুকূলো ।
পাল্যো হৌং বাল জ্যোং আখর দূ পিতু মাতু সোং মংগল মোদ সমূলো ॥
বাঁহ কী বেদন বাঁহ পগার পুকারত আরত আনঁদ ভূলো ।
শ্রী রঘুবীর নিবারিয়ে পীর রহৌং দরবার পরো লটি লূলো ॥৩৬॥ (36)
হে রাম গোলাম হনুমানজি! মা-বাবার মতো আমাকে পালন করেছেন। আমার বাহুর অসহ্য যন্ত্রণা প্রভু রঘুবীরের চরণে নিবেদন করে দূর করুন।
ঘনাক্ষরী
37 কাল কী করালতা করম কঠিনাঈ কীধৌ, পাপ কে প্রভাব কী সুভায় বায় বাবরে ।
বেদন কুভাঁতি সো সহী ন জাতি রাতি দিন, সোঈ বাঁহ গহী জো গহী সমীর ডাবরে ॥
লায়ো তরু তুলসী তিহারো সো নিহারি বারি, সীংচিয়ে মলীন ভো তয়ো হৈ তিহুঁ তাবরে ।
ভূতনি কী আপনী পরায়ে কী কৃপা নিধান, জানিযত সবহী কী রীতি রাম রাবরে ॥৩৭॥ (37)
কালের কঠোরতা ও কর্মের ফলস্বরূপ রাতদিন বাহুর তীব্র যন্ত্রণায় কষ্ট পাচ্ছি। আপনার রোপণ করা তুলসীদাসের এই বৃক্ষকে কৃপাবারিতে সিঞ্চিত করুন।
38 পাঁয় পীর পেট পীর বাঁহ পীর মুংহ পীর, জর জর সকল পীর মী হৈ ।
দেব ভূত পিতর করম খল কাল গ্রহ, মোহি পর দবরি দমানক সী দী হৈ ॥
হৌং তো বিনু মোল কে বিকানো বলি বারে হীতেং, ওট রাম নাম কী ললাট লিখি লী হৈ ।
কুঁভজ কে কিংকর বিকল বূঢে গোখুরনি, হায় রাম রায় ঐসী হাল কহূঁ ভী হৈ ॥৩৮॥ (38)
পা, পেট, বাহু ও মুখজুড়ে ব্যাধি আমাকে জর্জরিত করেছে। রাম নামের আশ্রয়ে থাকা তুলসীদাসকে এই ব্যাধি থেকে রক্ষা করুন।
39 বাহুক সুবাহু নীচ লীচর মরীচ মিলি, মুঁহ পীর কেতুজা কুরোগ জাতুধান হৈ ।
রাম নাম জপ জাগ কিয়ো চহোং সানুরাগ, কাল কৈসে দূত ভূত কহা মেরে মান হৈ ॥
সুমিরে সহায় রাম লখন আখর দঊউ, জিনকে সমূহ সাকে জাগত জহান হৈ ।
তুলসী সঁভারি তাডকা সঁহারি ভারি ভট, বেধে বরগদ সে বনাঈ বানবান হৈ ॥৩৯॥ (39)
রোগরূপী মারীচ ও সুবাহু আমার শরীরকে আচ্ছন্ন করেছে। রাম নামের জপরূপী যজ্ঞকে রক্ষা করতে শ্রী রামচন্দ্রজি যেমন তাড়কা ও মারীচকে বিনাশ করেছিলেন, তেমনি আমার ব্যাধি সংহার করুন।
40 বালপনে সূধে মন রাম সনমুখ ভয়ো, রাম নাম লেত মাঁগি খাত টূক টাক হৌং ।
পরয়ো লোক রীতি মেং পুনীত প্রীতি রাম রায়, মোহ বস বৈঠো তোরি তরকি তরাক হৌং ॥
খোটে খোটে আচরন আচরত অপনায়ো, অংজনী কুমার সোধ্যো রামপানি পাক হৌং ।
তুলসী গুসাঁঈ ভয়ো ভোংডে দিন ভূল গয়ো, তাকো ফল পাবত নিদান পরিপাক হৌং ॥৪০॥ (40)
শৈশব থেকেই সরল মনে শ্রী রামের চরণে সমর্পিত থেকে রাম নাম জপ করে জীবন ধারণ করেছি। অঞ্জনি কুমার আমাকে শোধিত করে রাম কৃপার যোগ্য করেছেন। হে গোস্বামী! অতীতের ভুলত্রুটি ক্ষমা করে কৃপা করুন।
41 অসন বসন হীন বিষম বিষাদ লীন, দেখি দীন দূবরো করৈ ন হায় হায় কো ।
তুলসী অনাথ সো সনাথ রঘুনাথ কিয়ো, দিয়ো ফল সীল সিংধু আপনে সুভায় কো ॥
নীচ যহি বীচ পতি পাই ভরু হাঈগো, বিহাই প্রভু ভজন বচন মন কায় কো ।
তা তেং তনু পেষিযত ঘোর বরতোর মিস, ফূটি ফূটি নিকসত লোন রাম রায় কো ॥৪১॥ (41)
অন্ন-বস্ত্রহীন অনাথ তুলসীদাসকে প্রভু রঘুনাতজি সনাথ করেছিলেন। অসাবধানতাবশত রামভজনে ঢিল দেওয়ায় শরীরে যে কষ্ট দেখা দিয়েছে, তা প্রভু ক্ষমা করে দূর করুন।
42 জীও জগ জানকী জীবন কো কহাই জন, মরিবে কো বারানসী বারি সুর সরি কো ।
তুলসী কে দোহূঁ হাথ মোদক হৈং ঐসে ঠাঁঊ, জাকে জিয়ে মুয়ে সোচ করিহৈং ন লরি কো ॥
মো কো ঝূঁটো সাঁচো লোগ রাম কৌ কহত সব, মেরে মন মান হৈ ন হর কো ন হরি কো ।
ভারী পীর দুসহ সরীর তেং বিহাল হোত, সোঊ রঘুবীর বিনু সকৈ দূর করি কো ॥৪২॥ (42)
সীতাপতি রামের দাস হয়ে কাশীতে সুরসরী গঙ্গার তীরে প্রাণ ত্যাগ করাই আমার পরম সৌভাগ্য। রঘুবীর ও হনুমানজি ছাড়া এই তীব্র ব্যাধি কে দূর করতে পারে?
43 সীতাপতি সাহেব সহায় হনুমান নিত, হিত উপদেশ কো মহেস মানো গুরু কৈ ।
মানস বচন কায় সরন তিহারে পাঁয়, তুম্হরে ভরোসে সুর মৈং ন জানে সুর কৈ ॥
ব্যাধি ভূত জনিত উপাধি কাহু খল কী, সমাধি কী জৈ তুলসী কো জানি জন ফুর কৈ ।
কপিনাথ রঘুনাথ ভোলানাথ ভূতনাথ, রোগ সিংধু ক্যোং ন ডারিযত গায় খুর কৈ ॥৪৩॥ (43)
সীতাপতি রাম, হনুমানজি ও ভোলানাথ শিবের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা। রোগরূপী সমুদ্রকে গরুর খুরের জলের মতো শুকিয়ে দিন।
44 কহোং হনুমান সোং সুজান রাম রায় সোং, কৃপানিধান সংকর সোং সাবধান সুনিয়ে ।
হরষ বিষাদ রাগ রোষ গুন দোষ মী, বিরচী বিরংচী সব দেখিযত দুনিয়ে ॥
মায়া জীব কাল কে করম কে সুভায় কে, করৈয়া রাম বেদ কহেং সাঁচী মন গুনিয়ে ।
তুম্হ তেং কহা ন হোয় হা হা সো বুঝৈয়ে মোহিং, হৌং হূঁ রহোং মৌনহী বয়ো সো জানি লুনিয়ে ॥৪৪॥ (44)
আমি হনুমানজি, সুজন রাজারাম এবং কৃপানিধান শঙ্করজির নিকট বিনীত নিবেদন করছি। প্রজা সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মাদেব জগতে আনন্দ, শোক, রাগ, দ্বেষ, গুণ ও দোষের সৃষ্টি করেছেন। বেদ বলে শ্রী রামচন্দ্রজি মায়া, জীব, কাল ও কর্মের নিয়ন্তা। আমি মনেপ্রাণে এটি স্বীকার করি এবং প্রার্থনা করি যে আমার শারীরিক কষ্ট লাঘব করুন।

শ্রী হনুমান বাহুকের ইতিহাস ও উৎপত্তি | History

শ্রী হনুমান বাহুক মহাকবি গোস্বামী তুলসীদাস জি দ্বারা রচিত একটি অত্যন্ত শক্তিশালী স্তোত্র। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, যখন তুলসীদাস জি তীব্র বাতের ব্যথা, গেঁটেবাত এবং বাহুর অসহনীয় যন্ত্রণায় কষ্ট পাচ্ছিলেন, তখন তিনি হনুমানজির স্তুতিতে এই ৪৪টি পদের রচনা করেন। এই পাঠের প্রভাবে তাঁর সমস্ত শারীরিক কষ্ট দূর হয়ে গিয়েছিল। তাই রোগ ও শারীরিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তির জন্য এই স্তোত্রকে অত্যন্ত ফলদায়ী মনে করা হয়।

সম্পূর্ণ সুরক্ষার জন্য ভক্তগণ নিয়মিত শ্রী হনুমান চালীসা বাংলায় এবং শ্রী হনুমান অষ্টক বাংলায় পাঠ করে থাকেন।

পাঠের নিয়ম ও সঠিক সময় | Rules & Time

শ্রী হনুমান বাহুক একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী পাঠ, তাই এর কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক:

  • সংকল্প: কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য বা গুরুতর শারীরিক কষ্ট দেখা দিলেই সংকল্প নিয়ে এই পাঠ করা উচিত।
  • পবিত্রতা: শারীরিক ও মানসিক শুদ্ধি আবশ্যক। লাল পোশাক পরা এবং লাল আসনের ব্যবহার শুভ বলে গণ্য হয়।
  • ব্রহ্মচর্য: পাঠের দিনগুলিতে পূর্ণ ব্রহ্মচর্য পালন করুন এবং সাত্বিক আহার গ্রহণ করুন।
  • প্রদীপ: পাঠের সময় ঘী অথবা চামেলীর তেলের প্রদীপ প্রজ্বলিত করুন।

সঠিক সময়: মঙ্গলবার বা শনিবার থেকে পাঠ শুরু করা সবচেয়ে ভালো। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পাঠ করা উচিত।

শ্রী হনুমান বাহুক পাঠের সুফল | Benefits

১) শারীরিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি

শ্রী হনুমান বাহুক পাঠ বিশেষ করে বাহুর ব্যথা, বাতের রোগ, ও কঠিন শারীরিক যন্ত্রণা দূর করতে সাহায্য করে।

২) নেতিবাচক শক্তির বিনাশ

এর নিয়মিত পাঠে ভক্তের চারপাশে একটি সুরক্ষাকবচ গড়ে ওঠে, যা অশুভ নজর ও ভয় দূর করে।

৩) সঙ্কটের নিরসন

জীবনের কঠিন সময়, অজানা ভয় ও মানসিক অশান্তি দূর করতে এই স্তোত্র অত্যন্ত সহায়ক।

৪) মনোকামনা পূরণ

ভক্তি ও বিশ্বাসের সঙ্গে পাঠ করলে ভক্তের শুভ মনোকামনা পূর্ণ হয়।

৫) আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি

যেকোনো ভয় দূর করে মনে সাহস ও আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলে।

৬) কঠিন ব্যাধি থেকে রক্ষা

গম্ভীর শারীরিক কষ্টে এই স্তোত্র সংজীবনীর মতো কাজ করে।

পিডিএফ ডাউনলোড ও সাধারণ প্রশ্নাবলী | FAQs

বাংলায় সম্পূর্ণ শ্রী হনুমান বাহুকের বিনামূল্যে পিডিএফ ডাউনলোড করুন।

Download PDF (Bengali)

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQs)

আমরা কি প্রতিদিন শ্রী হনুমান বাহুক পাঠ করতে পারি?

শ্রী হনুমান বাহুক একটি অত্যন্ত উগ্র ও শক্তিশালী স্তোত্র। শারীরিক কষ্ট বা বিশেষ সঙ্কটেই এটি পাঠ করা উচিত। দৈনন্দিন প্রার্থনার জন্য শ্রী হনুমান চালীসা পাঠ করাই উত্তম।

শ্রী হনুমান বাহুক কতবার পাঠ করা উচিত?

সঙ্কটের সময় সংকল্প নিয়ে টানা ২১ বা ৪১ দিন পাঠ করা উচিত। বিশেষ প্রয়োজনে এক আসনেই ৩, ৭, ১১ বা ২১ বার পাঠ করা যায়।

শ্রী হনুমান বাহুকে শ্রী রামের শপথ কেন দেওয়া হয়েছে?

গোস্বামী তুলসীদাস জি অসহনীয় শারীরিক যন্ত্রণায় ব্যাকুল হয়ে শ্রী হনুমানজিকে তাঁর পরম প্রিয় প্রভু রামের শপথ দিয়েছিলেন যেন তিনি অবিলম্বে এসে কৃপা করেন।

মহিলারা কি শ্রী হনুমান বাহুক পাঠ করতে পারেন?

হ্যাঁ, কঠিন পরিস্থিতিতে মহিলারাও শুদ্ধ মনে ও পবিত্রতার সঙ্গে শ্রী হনুমান বাহুক পাঠ করতে পারেন।

Select Language